বিশ্বজিত সরকার এই পর্বে তাঁর জীবনের ফটোগ্রাফি যাত্রা ও শিল্পচর্চা নিয়ে আলোচনা করছেন। প্রথম পর্বে তিনি ফটোগ্রাফিতে আগ্রহ এবং ফ্যাশনের প্রতি তাঁর ভালোবাসার বিষয়গুলো তুলে ধরেছিলেন। দ্বিতীয় পর্বে তিনি বলেন, কীভাবে ফটোগ্রাফি কঠিন পেশা থেকে সহজ হলো, নতুন প্রজন্মের জন্য তাঁর বার্তা কী, এবং শিল্পের বাইরে তাঁর জীবন ও থিয়েটার বা নাট্যকলা নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা ।
কঠিন পেশা থেকে সুযোগের আকাশ
বিশ্বজিত সরকার যখন ফটোগ্রাফি শুরু করেন, তখন এটি একটি কঠিন পেশা ছিল। তখন ফটোগ্রাফারের কাজের সুযোগ সীমিত ছিল এবং অনেকেই ভালো ছবি তুললেও পেশা হিসেবে নিতে পারত না। আজকের নতুন প্রজন্মের জন্য সুযোগ অনেক বেশি। প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন টুলসের মাধ্যমে ছবি দ্রুত এবং সহজে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
পোর্টফোলিও থেকে সেলফি: সময়ের বড় পরিবর্তন
আগে পোর্টফোলিও তৈরি করা কঠিন ছিল। বর্তমানে প্রত্যেকের হাতে ক্যামেরা মোবাইল ফোন আছে, এবং নিজের পোর্টফোলিও তৈরি করা অনেক সহজ। এটি পুরোপুরি পুরনো পদ্ধতি বদলে দিয়েছে।
পারিবারিক সমর্থন ও জীবনের মোড়
ফটোগ্রাফি শুরুর সময় তার পরিবার তাঁকে সমর্থন করেছিল, যদিও পেশা হিসেবে নেওয়ার সময় কিছু দ্বিধা ছিল। ৯০-এর দশকে ফটোগ্রাফি ব্যয়বহুল ছিল; ফিল্ম ডেভেলপ করা সময় ও অর্থ খরচ করত। বিশ্বজিত সরকার প্রমাণ করেছেন যে ফটোগ্রাফি করেও সম্মানজনক জীবনযাপন সম্ভব।
শিল্পের পথে দুই সন্তান: ফটোগ্রাফি ও থিয়েটার
বিশ্বজিত সরকার ফটোগ্রাফি ও থিয়েটারকে তাঁর ‘দুই সন্তান’ মনে করেন। দুটি ক্ষেত্রই সৃজনশীল এবং পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চা একজন ফটোগ্রাফারের দক্ষতার জন্য অপরিহার্য।
সফলতা মানে কী?
তাঁর মতে, সফলতা হলো সৎ জীবনযাপন, মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণ এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলা। অ্যাওয়ার্ড বা অর্থই সফলতার মাপকাঠি নয়।
Interview taken from: JugerChinta24